HMI
৩০ জুন ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বিপদের ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে ভারতের ভুল স্ট্রাটিজির কারণে: মনজুরুল হক-এর বিশ্লেষণ

ভারতের হস্তক্ষেপে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে একটুর জন্য জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে পারেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন মেনেই নিয়েছিল; ‘জামায়াত আসছে’। তারা সেভাবে নিজেদের ‘সাইজ’ করে নিয়েছিল। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক তো দিল্লি গিয়ে জামায়াতকে ভারতের কাছে গ্রহনযোগ্য করতে দূতিয়ালিও করেছিল, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়। ভারতের সঙ্গে তারেক রহমানের গোপন চুক্তির ফলে ভারতের হস্তক্ষেপে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় বসে।

এতে করে জামায়াত হতোদ্যাম হলেও থেমে যায়নি। ইনুসের ক্ষমতা দখলের দুবছরে নির্বাহী বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগসহ প্রশাসনের সর্বত্র নিজেদের লোক বসিয়েছিল। বিএনপির সময়ে প্রধান বিরোধীদল হয়ে ক্ষমতার প্রত্যেকটা ভাঁজে ভাঁজে নিজেদের লোক বসিয়েছে, সরকারকে হুমকি দিয়ে বিভিন্ন আইন পাশ করিয়েছে, নির্বাহী আদেশ জারি করিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম রাজাকার-আলবদর-আলশামস ন্যারেটিভ মুছে তাদের নিহতদের জন্য শোক প্রস্তাব, আওয়ামী লীগকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধকরণ এবং জুলাই সনদকে গৃহিত করানো।

এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে। ১৯৯১ থেকে ২০০৫-৬ সালের মধ্যবর্তী সময়গুলোতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি পালাক্রমে শাসন ক্ষমতায় এসেছে, সেসময় খুব মেথোডোলজিক্যাল টেকনিকে জামায়াত তাদের র‌্যাডিক্যালাইজড ক্যাডারদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পুশ করতে থাকে। যে সেনাবাহিনী জিয়া-এরশাদের আমলে বিপুলভাবে প্রো-পাকিস্তান সেন্টিমেন্ট নিয়ে বীরদর্পে বিকশিত হচ্ছিল, সেই সেনাবাহিনীতে জামাতের র‌্যাডিক্যাল ক্যাডাররা খুব সহজেই আপ্যায়িত হতে থাকে, এবং দ্রুত এদের প্রমোশনও হতে থাকে। ২০০৫-৬ পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে জামায়াতী ক্যাডারদের ভর্তি করানোর পরে তারা নজর দেয় বিডিআর-এ ক্যাডার রিক্রুমেন্ট করাতে। ২০০৫-৬ থেকে ২০০৮-৯ সাল পর্যন্ত বিডিআর/বিজিবিতে প্রায় ৩৫ শতাংশ জামায়াতী ক্যাডার ঢুকে পড়ে। যার নগ্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বরইবাড়ি সীমান্তে।

এর পর ২০০৯ সালে ওয়ান ইলেভেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পর আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর পরই এই বিডিআর বাহিনীতে একটি মিউটিনি কাল্টিভেট করানো হয়। তারা সরাসরি শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতের উদ্দেশ্যে মিউটিনি লঞ্চ করে। অজুহাত হিসাবে বলা হয়েছিল ‘আমাদের খাবার নিম্ন মানের, আমাদের জাতিসংঘ পিস কিপিংয়ে নেওয়া হয় না, ‘ডালভাত কর্মসূচি’র টাকার ভাগ চাই…. ইত্যাদি। অথচ সত্য হলো বিডিআর-এ যে জামায়াতি ক্যাডার ছিল তারা পাকিস্তানি আইএসআই-এর অঙ্গুলি হেলনেই বিদ্রোহ করেছিল। সারা দেশের প্রায় অর্ধেক বিডিআর সদস্য রিভোল্ট করে। এর পেছনে যে স্বাধীনতাবিরোধী তথা প্রো-পাকিস্তান সেন্টিমেন্টের কলকাঠি নড়া ছিল এবং সরাসরি আইএসআই এই রিভোল্ট মনিটরিং করেছিল সেটা এখন স্পষ্ট।

জামায়াত, আইএসআই-এর প্ল্যান ছিল শেখ হাসিনা সরকারকে এখনই ফেলে দিতে হবে। সে জন্য বিডিআর মিউটিনি ঘটিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল যাতে করে শেখ হাসিনা বিডিআরকে সাপ্রেস করতে সেনাবাহিনীকে বিডিআরের মুখোমুখি করতে বাধ্য হয়। সেটা হলে সেনার ভেতরে জামায়াতি ক্যাডাররা বিডিআরকে সাপ্রেস করার বদলে তাদের সঙ্গে মিলিতভাবে মিউটিনি জোরদার করবে। তাদের প্ল্যান শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি শেখ হাসিনার দুটি ছোট্ট কৌশলগত পদক্ষেপের কারণে। প্রথমত: তিনি বিডিআরের যারা বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিচ্ছিল তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যা মনযোগ দিয়ে শুনে সমাধান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন, এবং দ্বিতীয়তঃ বিডিআরের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার না করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা ‘র্যাব’ ব্যবহার করে অর্থাৎ সেনাবাহিনীকে মিউটিনি থেকে দূরে রাখার কৌশলে সফল হন।

এরপর ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত টানা পনের বছর সিভিল-মিলিটারি ব্যালান্স করতে পেরেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। এই পনের বছরে একটিবারের জন্যও মিলিটারি ক্যুদেতার চেষ্টা হয়নি। ২০১১ সালে এক সংশোধনী এনে সামরিক বাহিনী ক্যু করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করলে তা ‘দেশদ্রোহীতা’ বলে বিবেচিত হবে এবং যার শাস্তি-মৃত্যুদণ্ড। এই আইনের ফলে এবং সিভিল-মিলিটারি ব্যালান্স মেইনটেন করার জন্য শেখ হাসিনার আমলে সেনাবাহিনীতে অসন্তোষ দেখা দিলেও ক্যু করার মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।

মিলিটারি রেজিমকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখাকালিন বিপদটি সামনে আসে সেনাবাহিনীর ভেতরে প্রবলভাবে নেপোটিজম চালু হওয়ার বিপদ। যোগ্যতা বিচারে সিনিয়রদের টপকে ওয়াকার-উজ-জামান সেনাপ্রধান হয়ে বসেন, কারণ তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মিয়! শুধু সেনাপ্রধান নয়, প্রায় সকল সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাদের প্রমোশন, নতুনদের রিক্রুটমেন্ট, ট্রান্সফার সবই হতে থাকে নেপোটিজমের হাত ধরে। এর ফলে সেনাঅভ্যন্তরে এক ধরণের অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের বড় ভুল টানা পনের বছর ক্ষমতায় থাকার সময়ও আর্মি-বিজিবি রিক্রুটমেন্ট নীতি প্রণয়ন করতে না পারা। সেই ১৯৯১ থেকে ২০২৪ এই টানা দীর্ঘ সময় রিক্রুটমেন্ট পলিসিতে রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান-সন্ততির এম্বার্গো না থাকায় জামায়াত বানের জলের মত লোক ঢুকিয়েছে। যার নিট ফলাফল আজকের মৌলবাদ আক্রান্ত, জামায়াতের প্রতি সফট এবং আধুনিক যুদ্ধকৌশল শেখার বদলে পাক্কা মৌলবীদের মত ধর্মকর্মে মত্ত হয়ে সেই আলোকে দেশ-জাতি-পররাষ্ট্র-শত্রু-মিত্র নির্ণয় করা সেনাবাহিনী।

আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রীদের বেশিরভাগই হজ করে মাথায় টুপি দিয়ে ইসলাম প্রচারে নিয়োজিত থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষের মন জয় করতে চেয়েছে। ঘূণাক্ষরেও তাদের আশঙ্কা হয়নি তাদেরই ছত্রছায়ায় একটি ধর্মান্ধ মৌলবাদাক্রান্ত গোষ্ঠী সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদগুলো দখলে নিচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বর্তমানে ১০টি পূর্ণাঙ্গ পদাতিক ডিভিশন রয়েছে। এর একটি ডিভিশনও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার থেকে আসা স্বাধীনতার পক্ষে নিবেদিতপ্রাণ সদস্যদের নিয়ে গঠিত নয়। অথচ এটা হওয়া ভীষণ জরুরি ছিল।

এই অত্যন্ত জরুরি কাজগুলো পনের বছর ক্ষমতায় থেকেও আওয়ামী লীগ করেনি। যার খেসারত দিয়েছে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে, এবং দেশটা সিআইএ, আইএসআই, তুরস্কের এমআইটি’র হিংস্র থাবার নিচে পড়ে। এরই ফলশ্রুতিতে আমরা দেখি ২৪-এর ৫ আগস্টে সেনাসদস্যরা জঙ্গীদের মত বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙালি সাংস্কৃতির সকল ভাস্কর্য, ম্যুরাল, ছবি ধ্বংস করছে। তারা কি জানত না ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৪ (ক) অনুচ্ছেদে যুক্ত বিধান অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙা, প্রতিস্থাপন, এমনকি সরানোও যায় না? সৈন্যরা না জানুক অফিসাররা আলবাত জানত।

সেই ধর্মীয় মৌলবাদ আক্রান্ত সেনাবাহিনী ইনুসের দুই বছরে র‌্যাডিকেল আইডোলজির প্রাকটিস করতে করতে এখন এতটাই ধর্মাশ্রীয় হয়েছে যে সেনা শৃঙ্খলা, নর্মস, প্রোটোকলের তোয়াক্কা না করে তারা বাংলাদেশের প্রচণ্ড আবেগের ‘শিখা অনির্বান’ নিভিয়ে দিয়েছে। এখন অবস্থা এতটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে যে এই সেনাবাহিনী যে কোনো সময় ইরানের IRGC (Islamic Revolutionary Guard Corps)-এর মত জনগণের ওপর শরিয়াহ আইনি বলবত করার কাজে লেগে পড়ার বিপদও আছে!

এই সমগ্র ব্যাপারগুলো জামায়াতের কৌশলের জয়। বিএনপি-আওয়ামী লীগ যখন একে অপরকে কুপোকাত করার কাজে ব্যস্ত ছিল, সেসময় জামায়াত নীরবে নিজেদের সুদূরপ্রসারী ছক বাস্তবায়নে রত ছিল। আজকে তারা দম্ভভরে নিজেদের ক্ষমতার বিচ্ছুরণ দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ তো বটেই, তারা এমনকি তাদের প্রেট্রোনাইজার ওয়েলউইশার বিএনপিকেও ‘খেয়ে’ দিতে পারে।

বিপদের ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে ভারতের ভুল স্ট্রাটিজির কারণে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে তারেক তথা বিএনপির ওপর নির্ভর করে ভারত যে ভুল করেছিল মাত্র দুমাস যেতে না যেতেই তারা ভুল বুঝতে পেরেছে এবং ভুলের খেসারত দিচ্ছে। ভারত “জামায়াতকে ক্ষমতায় আসতে দেব না” পলিসি অ্যাপ্লাই করে সফল হলেও কার্যত জামায়াতের ক্ষমতা হাতিয়ে নেওয়া ঠেকাতে পারেনি। এরপর একের পর এক হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর নির্যাতন, খু/ন-জখম, দেশত্যাগে বাধ্য করানো, জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা, বিনা বিচারে হিন্দু নেতাকে আটকে রাখা, রাতদিন ভারতের বিরুদ্বে বিষোদগার করা, নগ্নভাবে কটুকাব্য করা, ভারতের অঞ্চল দখল করে নেওয়ার হুমকি সব গজওয়াতুল হিন্দ কায়েমের হুমকির জবাবে মুখে কুলুপ দিয়ে বসে আছে। বিজেপি সরকারের ফরেন পলিসি হয়ত এরকমই-এক গালে চড় খেলে অন্য গাল বাড়িয়ে দেওয়ার গান্ধীবাদী নীতি। মোংলা পোর্ট চীনকে উন্নয়নের জন্য লিজ দেওয়া দেখে ভারত এখন “নেইবর ফার্স্ট” পলিসি জোরে আঁকড়ে ধরুক।

Monjurul Haque

28th June 2026

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইউনূসের স্বেচ্ছাচারিতা ও তারেকের অবহেলায় হামে এ পর্যন্ত ৮০৩ শিশুর মৃত্যু 

দেশে ফেরার ঝুঁকি আমি জানি: জাপানের কিয়োডো নিউজকে শেখ হাসিনা

দিল্লিতে মোদীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতারা আটক

জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রথম গুম: মংলায় যুবক নিখোঁজের ঘটনায় তদন্ত দাবি এইচআরডাব্লিউ-এর

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাতেই ফিরবে, ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয়: জাফর ইকবাল

নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতির গলাকাটা লাশ উদ্ধার

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ধর্মীয় উত্থান: দ্য প্রিন্টের বিশ্লেষণে ফিদেল কাস্ত্রোর পুরোনো সতর্কবার্তা

পাকিস্তানের জুলুম থেকে বাঁচতে বেলুচিস্তান অবশেষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে?

৬ মাসে ৩৮৩ সাংবাদিক নির্যাতন-হয়রানির শিকার, আহত ২৩৪: এইচআরএসএস

দেশে-বিদেশে আস্থা হারাচ্ছে সরকার, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত: জি এম কাদের

১০

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পাঁচ ঘণ্টার আন্দোলনে ঢাবিতে বিজিবি: সরকারের পদক্ষেপে বিতর্ক

১১

এএফপির অনুসন্ধানী প্রতিবেদন: ছয় মাসেও থামেনি হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘনে বাড়ছে উদ্বেগ

১২

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় এর হুঁশিয়ারি: বাংলাদেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে

১৩

নাম বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি নতুন মোড় নিচ্ছে?

১৪

ভয়াবহ বন্যা: তারেক রহমান কি ফ্যামিলি নিয়ে মজা করতেই থাকবেন?

১৫

চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ৪৩ জনের মৃত্যু, ৯ লাখ মানুষ দিশেহারা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা

১৬

মনজুরুল হক-এর কলাম: রুচিহীনতা দেখিয়েছে ‘ডেইলিস্টার’, ‘প্রথমআলো’, ‘মানবজমিন’

১৭

হামে শিশু মৃত্যু ৭৫০ ছাড়িয়ে গেছে, নির্বিকার সরকার, টিকায় ভেজাল

১৮

বাংলাদেশে ফেরা নিয়ে শেখ হাসিনার পরিকল্পনা: দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে ডিসেম্বরে ফিরে আত্মসমর্পণ

১৯

পাকিস্তানের ব্যর্থ ‘সেফ সিটি’ প্রকল্প বাংলাদেশে আনার উদ্যোগ: নিরাপত্তা ঝুঁকি ও অর্থ লুটের প্রকল্প

২০