HMI
১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ইউনুসের এক্সেটেনশন তারেকের শাসনেও নিষিদ্ধ শোক দিবস, তবুও প্রতিটি বাঙালি গৃহে শোক বয়ে যায়

হোসেন মুহম্মদ ইমাম

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশ কার্যত অবরুদ্ধ যেন শ্বাস নিতে পারছে না। আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ইউনুস থেকে তারেক (২০২৪-২০২৬) তিনটি শোক দিবস সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ও যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।

গত বছর বাংলাদেশের মানুষ অবৈধ অসাংবিধানিক ইউনূস আমলের আরোপিত রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি তাদের নিঃশর্ত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে। সাধারণ গৃহিণী, শ্রমিক থেকে তারকা প্রতিটি শোকাহত ঘর, প্রতিটি হৃদয় যেন হয়ে উঠেছিল আরেকটি ধানমন্ডি ৩২।

ইউনূস প্রশাসন, তার মিত্ররা এবং প্রেস সচিব শফিকুল আলম শোক প্রকাশকেও যেন শাস্তিযোগ্য অপরাধে পরিণত করেছিলেন। কিন্তু তারা কি মানুষের শোককেই নিষিদ্ধ করতে পেরেছিলেন?

আমরা ও মামুরা নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনসহ দলটির নেতাকর্মীরা বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র স্থান ধানমন্ডি ৩২-এর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ধ্বংসের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন এটা আজ প্রমাণিত। খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া এবং বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নীরব সম্মতিও এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে ছিল।

ধানমন্ডি ৩২-এ সংঘবদ্ধভাবে উপস্থিত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়েছিলো— “তারেক ভাই, কথা দিলাম—৩২ দখল করলাম!”

অতীতে আওয়ামী লীগ চাইলে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়ার তথাকথিত কবর কয়েক মিনিটের মধ্যেই গুঁড়িয়ে দিতে পারত, যা রক্ষা করতে বিএনপির একজন কর্মীও এগিয়ে আসত না।

বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা স্বভাবগতভাবেই ভীরু। ২০১৫ সালে দেশব্যাপী আগুন সন্ত্রাসের সময় খালেদা জিয়ার বাড়ির সামনে যখন বালুর ট্রাক রাখা হয়েছিল, তখন দলটির একজন নেতা বা কর্মীকেও তাঁর পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। তাঁর একমাত্র সঙ্গী ছিলেন গৃহকর্মী ফাতেমা।

২০২৫ সালের অপকর্মের পরিণতি ভবিষ্যতে বিএনপিকেই বহন করতে হবে। আমার রাজনৈতিক বোধে বলে, ভবিষ্যতে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়ার কবর আর থাকবে না। আর তার দায় বিএনপিকেই বহন করতে হবে।

গত বছর বিএনপি, জামায়াত-শিবির এবং ইউনূসের এনসিপির সম্মিলিত মব সন্ত্রাসের বিপরীতে সাধারণ রিকশাচালক, সত্তরোর্ধ্ব শহীদ মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী, হিজাব পরিহিত নারী এবং একজন ইসলামি আলেমসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভয়ভীতি ও হুমকি উপেক্ষা করে পুড়ে যাওয়া ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে গিয়েছিলেন জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে।

রিকশাচালক আজিজ তাঁর কষ্টার্জিত আয় থেকে ৪০০ টাকা দিয়ে ফুলের তোড়া কিনেছিলেন বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি বিএনপি, জামায়াত-শিবির ও এনসিপির কর্মীদের হাতে গুরুতরভাবে আঘাতের শিকার হন।

একজন হাফেজে কোরআন বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দুবার সম্পূর্ণ কোরআন খতম করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন।

একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী হাতে দুটি সাধারণ ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন; কিন্তু তাঁকেও বাধা ও অপমানের মুখোমুখি হতে হয়।
২০২৬ সালে নমিনাল প্রধানমন্ত্রী তারেকের শাসনে পুলিশ ও মব সন্ত্রাসী আয়াসের হামলায় টাঙ্গাইল জেলার যুবলীগ কর্মী অর্নব দাস ও রিক্সাচালক আলমাস মারাত্মকভাবে আহত হন। পুলিশ মব সন্ত্রাসী আয়াসকে নিবৃত্ত ও গ্রেফতার না করে উল্টো আহত অর্নব দাসকে গ্রেফতার করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়। জার্মান ভিত্তিক ডয়চে ভেলে’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি সাংবাদিক হারুন-অর-রশিদ পুলিশ ও মব সন্ত্রাসী আয়াস’কে প্রশ্ন করেন- সাধারণ মানুষের শোক প্রকাশ নিষিদ্ধ কিনা? শোক প্রকাশ করতে আসা সাধারণ মানুষের উপর আক্রমনের কোন সন্তোষজনক জবাব তারা দিতে পারেনি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একই সঙ্গে ইতিহাসের স্রষ্টা এবং ইতিহাসের সৃষ্টি। শুধু বাঙালির ইতিহাসেই নয়, বিশ্ব-ইতিহাসেরও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান তিনি। তিনি কেবল স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন না; তিনি ছিলেন সেই স্বপ্নের স্থপতিও। আমরা বাঙালিরা—অকৃতজ্ঞ ও আত্মবিনাশী জাতি—সেই মানুষটিকেই হত্যা করেছি, যিনি আমাদের স্বাধীনতা এনে দেওয়ার জন্য তাঁর যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় উৎসর্গ করেছিলেন।

দার্শনিক সরদার ফজলুল করিমের ভাষায় – “শেখ মুজিবকে আমরা ঈর্ষা করেছি আমাদের অতিক্রম করে বড় হওয়াতে। সবদিক থেকে বড়। তেজে, সাহসে, স্নেহে, ভালবাসায় এবং দুর্বলতায়। এবং সেই ঈর্ষা থেকেই আমরা তাঁকে হত্যা করেছি। কেবল এই কথাটি বুঝিনি যে ঈর্ষায় পীড়িত হয়ে ঈশিতের স্থান দখল করা যায় না”

১৫ আগস্ট শুধু শোকের দিন নয়—এটি শক্তি ও সাহসেরও দিন।

পৃথিবীতে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র যতদিন থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রাসঙ্গিক থাকবেন মানুষের শোক, শক্তি, সুখ-দুঃখ, সাহস, বিপ্লব কিংবা বিদ্রোহে।

আজ থেকে শত বছর কিংবা হাজার বছর পরও যদি বাংলাদেশের নির্মোহ ইতিহাস রচিত কিংবা পঠিত হয়, তাহলেও শেখ মুজিবুর রহমান সেই ইতিহাসের কেন্দ্রে থাকবেন। এমনকি বাংলাদেশের ইতিহাসকে যদি এক বাক্যেও সংক্ষেপ করা  হয়, তাতেও প্রবল বিক্রমে থাকবেন বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিকপাল শেখ মুজিব।

বিশ্ব আব্রাহাম লিংকন, মহাত্মা গান্ধী, জন এফ. কেনেডি, মার্টিন লুথার কিংসহ বহু মহান ব্যক্তিত্বের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করেছে।

কিন্তু একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ১৯৭৫ সালে যে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছিল, তা মানবসভ্যতার ইতিহাসের বিরলতম ও জঘন্যতম অপরাধগুলোর একটি।

মুজিব শুধু এই ভূখণ্ডের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন না; তিনি ছিলেন শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। ধাপে ধাপে তিনি হয়ে উঠেছিলেন মানুষের সুখ-দুঃখের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

তিনি এমন কোনো প্রচলিত রাজনীতিবিদ ছিলেন না, যিনি নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের হিসাব কষে নিজের রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণ করতেন। টুঙ্গিপাড়ার ‘খোকা’ থেকে বঙ্গবন্ধু একজন বিশ্বমানের রাষ্ট্রনায়কের উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং বাঙালির একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের জন্য তিনি তাঁর যৌবনের প্রায় ১৪ বছর অন্ধকার কারাগারে কাটিয়েছেন।

তাঁর হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তিকে হত্যা করা ছিল না—এটি ছিল স্বাধীনতার চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য এবং সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। আমার দৃষ্টিতে, এটি ছিল দেশীয় ও বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার প্রচেষ্টা।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু তাঁর আজীবনের স্বাধীনতার স্বপ্নের বাস্তব রূপ—স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন।

দূরদর্শিতা, দেশপ্রেম, কঠোর পরিশ্রম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে মাত্র সাড়ে তিন বছরে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে উন্নয়নের পথে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন।

বাংলাদেশ যখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই নেমে আসে ১৫ আগস্টের সেই অন্ধকার রাত। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও বৈশ্বিক মর্যাদার সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।

বিশ্বের সভ্য রাষ্ট্রগুলোর নেতা ও জনগণ বারবার এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ড আমাদের জাতির ইতিহাসে অকৃতজ্ঞতার এক গভীর কলঙ্কও রেখে গেছে।

শোক দিবসের অঙ্গীকার হওয়া উচিত বঙ্গবন্ধুর আজীবনের স্বপ্ন—‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলা এবং দরিদ্র, অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।

ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে শারীরিকভাবে হত্যা করতে পেরেছিল, কিন্তু তাঁর আদর্শ, দর্শন কিংবা স্বপ্নকে কবর দিতে পারেনি। বাঙালি যখনই সংকট ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়, তখনই তাঁর সাহসী ও সংগ্রামী জীবন থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজে পায়।

মৃত্যুর মধ্যেও মুজিব আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন।

কারণ—
মুজিব মানে লাল-সবুজের পতাকা,
মুজিব মানে ১ লাখ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের ভূখণ্ড,
মুজিব মানে পৃথিবীর মানচিত্রে আমার মানচিত্র,
মুজিব মানে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা প্রতিটি দষকে জন্ম নেন না; শতাব্দীতে হয়তো একবারই তাঁদের আবির্ভাব ঘটে—মানবসভ্যতাকে আলোকিত করতে এবং নিপীড়িত মানুষের মুক্তির পথ দেখাতে।

ভারত যেমন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে মহাত্মা গান্ধীকে পেয়েছিল; আমেরিকা যেমন দাসপ্রথা বিলোপ ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে আব্রাহাম লিংকন ও মার্টিন লুথার কিংকে পেয়েছিল; আফ্রিকা যেমন বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নেলসন ম্যান্ডেলাকে পেয়েছিল—তেমনি বাঙালি জাতি তার মুক্তির মহানায়ক হিসেবে পেয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

লেখক:  প্রবক্তা, হাসিনোমিকস ও সম্পাদক, বাংলাদেশ ভাবনা নিউজ

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ১৮ সেপ্টেম্বর বৈঠক করবেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের স্মৃতিতে শেখ কামাল ও একটি হারমোনিয়াম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান করলেন মবের শিকার তাহসিন জাহান

ডাকসুর সংগ্রহশালা: গোলাম আযমকে জুতাপেটার সেই ছবি সাঁটিয়ে প্রতিবাদ

আদালতে অসুস্থ হয়ে পড়ে গেলেন মিষ্টি সুবাস, বিচারককে বললেন ‘গুলি করে মেরে ফেলেন’

১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে, সম্পদের উৎস কী?

বাংলাদেশের প্রখ্যাত উর্দু কবি সৈয়দ তাকি মোহাম্মদের ইন্তেকাল

গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে বিশাল মিছিল: গ্রেপ্তার ৩২, রিমান্ডে ২৪ জন

‘মাগো আমারে নিয়া যাও, আমি হাফেজ হইতে চাই না, এখানে অনেক কষ্ট দিতাছে’: শিশু-ধর্ষক মাওলানা গ্রেপ্তার

হু-এর বর্তমান প্রধানও অভিযুক্ত হয়েছিল কিন্তু ছুটিতে যায়নি, মায়ের শত্রুরা আমাকে ‍ভুগিয়েছে: পুতুল

১০

বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না, সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা

১১

ছাত্রলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল মাসুদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ফিরে দেখা সেই নির্মম রাত

১২

আমাকে এক কাপড়ে বের করে দিয়েছিল বাঁধন ও তার পরিবার : সাবেক স্বামী সনেট

১৩

ইউনূস আমলের ধারাবাহিকতায় পুলিশের ওপর হামলা চলছেই, ৭ মাসে আহত ৩৬১

১৪

মক্কা জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশের লাভ-ক্ষতি: মনজুরুল হকের বিশ্লেষণ

১৫

বাংলাদেশে হামের শিশুমৃত্যু এক হাজারের কাছাকাছি: এএফপি’র প্রতিবেদন

১৬

‘আ. লীগ সরকারের এলএনজি টার্মিনাল চুক্তি ও ৩৭ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করায় এই সংকট’

১৭

হিন্দুস্তান টাইমসকে শেখ হাসিনা: ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের জন্য বাংলাদেশে ফিরছি

১৮

রাজধানীতে বিচারকের খাসকামরায় মবসন্ত্রাস করা হয়েছে পুলিশ কর্মকর্তার উপর

১৯

‘ভারতের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বাংলাদেশের স্বার্থেই প্রয়োজন’: দ্য সানডে গার্ডিয়ানকে শেখ হাসিনা

২০